Showing posts with label Corona(COVID-19). Show all posts
Showing posts with label Corona(COVID-19). Show all posts

Saturday, March 28, 2020

করোনায় হোমিও-৩

সংগৃহীত: Mohammad Mohshinuzzaman BHMS

Coronavirus disease 2019 (COVID-19)
-------------------
আজ আমরা আলোচনা করবো Covid-19 এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কোন রোগের নাম ধরে হয় না। রোগীর মাঝে প্রকাশিত লক্ষণাবলী ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্রিকরণ (individualization) করে চিকিৎসা করা হয়।
#Covid-19 রোগের লক্ষণগুলো হল -
প্রধান লক্ষণ: জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট।
অন্যান্য লক্ষণ: দুর্বলতা, শরীর ব্যথা (continuous dull pain), নাক থেকে সর্দিস্রাব, গলাব্যথা।
উপরের লক্ষণগুলো কারো মাঝে হালকাভাবে দেখা দেয় কারো মাঝে মধ্যম ভাবে দেখা দেয়, কারো ক্ষেত্রে মারত্মকভাবে দেখা দিতে পারে। কিছু মানুষের আবার কোন লক্ষনই প্রকাশ পায় না। যাহোক বৃদ্ধলোক এবং যাদের ক্রনিক মেডিকেল কন্ডিশন যেমন- হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগ (emphysema, COPD), উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগ আছে তাদের ক্ষেত্রে অবস্থা ক্রিটিক্যাল হতে পারে।
এ রোগটি সাধারণ ঠাণ্ডাকাশির মতো করেই শুরু হয় যেমনটা আমরা ইনফ্লুয়েঞ্জার রোগীতে দেখতে পাই। রোগটি যদি শুরুতে থামানো না যায় তাহলে জটিল অবস্থা ধারণ করে। সেক্ষেত্রে নিউমোনিয়া দেখা দেয় (উভয় ফুসফুস আক্রান্ত হয়), শরীরের অন্যান্য অঙ্গের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে রোগী মারা যেতে পারে।
সুতরাং করোনার রোগী চিকিৎসা করতে গেলে আমাদের যেসব ওষুধ কাশি, জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয় সেগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখতে হবে। সেই সাথে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো সম্পর্কেও ভাল জ্ঞান রাখতে হবে যাতে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় সঠিক ওষুধ নির্বাচন করতে পারি।
প্রতিটি ওষুধেরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ রয়েছে সেগুলো প্রতিটি রোগীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্রিকরণের সাথে মিল করে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।
#শক্তি ও মাত্রাঃ
এক্ষেত্রে ওষুধ অবশ্যই শক্তি পরিবর্তন রীতিতে প্রয়োগ করতে হবে। ৫০ সহস্রতমিক ওষুধ ০/১ বা ০/২ থেকে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। সাধারণভাবে ৪ ঘন্টা পরপর দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে খুব ঘনঘন বা দেরিতে প্রয়োগ করতে হবে। যারা শততমিক ওষুধ ব্যবহার করেন, তারা ওষুধের ৬, ৩০, ২০০, ১০০০ শক্তি রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ব্যবহার করবেন।
পরবর্তীতে আমরা সাধারণ ঠাণ্ডাকাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়াতে বেশি নির্দেশিত ওষুধগুলো সম্পর্কে আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ।
#করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯ থেকে বাঁচার জন্য যা করবেন -
১. লোকজনের সমাবেশ থেকে দূরে থাকুন।
২. যারা অসুস্থ বা যাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোন লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে তাদের থেকে ৬ ফুট দূরে অবস্থান করুন। অন্যদের থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে থাকুন।
৩. সাবান পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধোন, অথবা এলকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার (60% এলকোহল) ব্যবহার করুন।
৪. হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু দিয়ে মুখ ঢাকুন, না থাকলে আপনার কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে হাঁচি-কাশি দিন।
৫. হাত পরিস্কার না করে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না।
৬. খাবার, গ্লাস, বিছানা এবং অন্যান্য গৃহস্থলি আইটেম কারো সাথে ভাগাভাগি করবেন না।
৭. দৈনন্দিন যেসব স্থান/সমতল আপনাকে স্পর্শ করতে হয় সেগুলো প্রতিদিনই পরিস্কার করে জীবানুমূক্ত থাকুন।
৮. কাজ, স্কুল এবং পাবলিক স্থান থেকে দূরে থাকুন এবং বাসায় থাকুন। নিতান্ত প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলো সাবধানতা অবলম্বন করুন। যদি আপনি অসুস্থ থাকেন তাহলে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পরিহার করুন।
৯. কাঁচা মাংস বা ঠিকমত গরম করে রান্না করা হয় নাই সেধরনের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
১০. জীবন্ত প্রাণী এবং কোন সমতল যেমন খোলা মার্কেটের, সিড়ির রেলিং ইত্যাদি স্পর্শ করা থেকে বেঁচে থাকুন।
১১. আক্রান্ত স্থানে ভ্রমন করার কথা মাথায়ও আনবেন না।
WHO এবং CDC সাধারণত সাধারনদের জন্য মাস্ক পরার পরামর্শ দেন না। যদি কোন ডাক্তার বা স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শদাতারা আপনাকে পড়ার নির্দেশ দেন তবে মাস্ক পড়ুন।

Saturday, March 21, 2020

করোনায় হোমিও -২

থেরাপিউটিকস - ২
----------
COVID-19 infection - 2
ফ্লু মহামারীতে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কার্যকারিতা বহুবার প্রমানিত হয়েছে। অতীত ইতিহাসে এটা বারবার প্রমানিত হয়েছে।
ভয়াবহ স্প্যানিস ফ্লু [1918 flu pandemic, deadly influenza pandemic.] এবং সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
-----------------------------------------------
১৯১৮ -১৯ সালে সারা বিশ্বে স্প্যানিস ফ্লু ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ব্যাপক প্রাণহানী ঘটেছিল। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ (৫০০ মিলিয়ন/৫০ কোটি) এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল যাদের মধ্য থেকে কমপক্ষে ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) মানুষ মারা যায়। [১] তবে এই সংখ্যা কম করে বলা হয়েছে, স্প্যানিস ফ্লুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ মিলিয়ন থেকে ১০০ মিলিয়ন (৫ থেকে ১০ কোটি) এর মধ্যে হবে। [২] অধিকাংশ রোগী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
সেই সময় হোমিওপ্যাথিক অনেক হাসপাতাল চালু ছিল। বহু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ব্যক্তিগতভাবেও স্প্যানিস ফ্লু চিকিৎসা করে ভাল করেছেনা। চিকিৎসকরা স্প্যানিস ফ্লুতে তাদের চিকিৎসিত রোগীর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন। তাতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ব্যাপক সফলতা লক্ষ্য করা যায়।
নিউইয়র্কের Dr. John Hutchinson ১৯২০ সালে একটি আর্টিক্যালে লেখেন। তাতে তিনি বলেন, “এই সত্য প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নিউমোনিয়া আরোগ্য করে, যেখানে ওষুধ সুস্পষ্টভাবে নির্দেশিত সেরকম প্রতিটি কেইস ভাল হয়। সে কারনে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় মৃত্যুহার ছিল খুবই কম - এতই কম যে সেটা অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসিত রোগীর মৃত্যুহারের চেয়ে অনেক বেশি কম। মহামারী ইনফ্লুয়েঞ্জাতে হোমিওপ্যাথির অসাধারণ সাফল্য প্রত্যক্ষ করুন, সেটিই একমাত্র সাফল্য যেটি রেকর্ড তৈরি করেছে।” [৩]
হোমিওপ্যাথরা সে সময় প্রচুর রোগী দেখতেন। পিটসবার্গের Dr. W.F. Edmunson প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সাথে হাসপাতালেও রোগী দেখতেন। তিনি কি পরিমান রোগী দেখেছেন তার সংখ্যা হিসেব করে রাখেন নি, সকাল সাড়ে আটটা বা নয়টা থেকে রোগী দেখা শুরু করতেন, রাতের ডিনার পর্যন্ত রোগী দেখতেন, রাতের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ১০ টা পর্যন্ত থাকতেন, তারপর বাইরে গিয়ে রাত ১ টা পর্যন্ত রোগী দেখতেন।” [৪]
বাফেলোর Dr. Eli G. Jones বলেন যে তাকে এত বেশি রোগী দেখতে হয়েছে যে খাবার খাওয়ার সময় পেতেন না। [৫]
পিটসবার্গের Dr. John C. Calhoun লিখেছেন যে, এত বেশি রোগী দেখার ডাক জমা হতো যে সারাটা দিন ধরে সেগুলো দেখার যথেষ্ট সময় পাওয়া যেত না, তাই শর্টকাট উাপায়ে রোগী দেখতে হতো, কোন কোন দিন আমাকে প্রতিদিন ৭৫ থেকে ১০০ টা রোগী দেখতো হতো। প্রথম মহাযুদ্ধ ও বাড়ীর লোকের অসুস্থতার কারনে সে সময় আমাদের চিকিৎসকের অপ্রতুলতা ছিল। [৬]
নিউ ইয়র্ক, ট্রয়ের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ ক্রফোর্ড গ্রিন জানিয়েছেন যে বেশ কয়েক মাস ধরে প্রচুর পরিশ্রমের পরও ফলাফল একই রকম ছিল, "দুর্ভাগ্যক্রমে, আমি আমার নিজস্ব প্র্যাকটিস থেকে সঠিক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করতে পারছি না। আমি জানি না কত শত ইনফ্লুয়েঞ্জার রোগী আমার হাতে চিকিৎসিত হয়েছে। আমার অনেক সহকর্মীর মতো আমার কেইসগুলোও গণনা করার সময় আমার কাছে ছিল না। 20 ই সেপ্টেম্বর, 1918, 12 ই মে, 1919 পর্যন্ত, এমন কোন দিন যায় নি যে ইনফ্লুয়েঞ্জার রোগী আমি দেখি নি। এমনও দিন গেছে যে ১৭ টার মতো ইনফ্লুয়েঞ্জার রোগী এক সাথে দেখতে হয়েছে। তবে আমি জানি না মোট কতজনকে পুরোপুরি চিকিত্সা করেছি। আসলে কতগুলো শিশু, কতগুলো বয়ষ্ক রোগী দেখেছি তার হিসেবও আমি রাখি নি।
তবে আমার চিকিৎসিত রোগীদের মধ্যে ২ টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এক, আট মাসে, অপুষ্টিতে ভুগছিল এবং তাকে ঠিকমতো খাওয়ানোর যাচ্ছিল না । এটি ছয় দিন বেঁচে ছিল। অন্যটি, বাইশ মাসের শিশু, খুব সংক্ষিপ্ত নিউমোনিয়াতে মারা যায়। আমি এই শিশুটিকে মাত্র দু'বার দেখেছিলাম। আশেপাশের পরিস্থিতি খারাপ ছিল এবং সন্তানের কোনও নার্সিং কেয়ার ছিল না। ” [৭]
United States Public Health Service (USPHS), এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রচলিত চিকিৎসায় এর মৃত্যুহার ছিল ৩০ শতাংশ। [৮]
Dr. Ralph Mellon, পাবলিক হেলথ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,New Enland Medical Gazette এর সম্পাদক, ১৯১৮ সালে ভয়াবহ ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দেয়ার পর প্রচুর চিকিৎসিত রোগীর ডাটা সংগ্রহ করে (এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক) তুলনা করে লিখেছেন -
“এ শহরে (রোচেস্টার, নিউইয়র্ক), এই ধারণা বেশ কিছু মহলে প্রচলিত হয়েছে যে ‘প্রচলিত চিকিৎসা’র চেয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগী অনেক বেশি ভাল হয়। তিন জন9হোমিও চিকিৎসক দাবী করেছেন যে তারা ৩৭৫ জন উতকট ইনফ্লুয়েঞ্জার রোগী চিকিৎসা করেছেন, তাদের মধ্যে একজনও মারা যায় নি এবং তাদের মাঝে নিউমোনিয়া হওয়ার ঘটনা খুব ছিল।
একটি বিষয়ে বিতর্ক হতে পারে যে সেগুলো কি আসেলেই ফ্লুর রোগী ছিল নাকি সাধারণ ঠাণ্ডাকাশির রোগী ছিল। তবে এটা ধরে নেয়াই যুক্তিযুক্ত হবে যে একটি প্রবল মহামারীর সময় দেখা দেয়া এসব রোগীর অধিকাংশই ইনফ্লুয়েঞ্জা হিসেবেই ক্লিনিক্যালি চিহ্নিত হয়ে থাকে। একজন শীর্ষস্থানীয় এলোপ্যাথি চিকিৎসক জানিয়েছেন তার চিকিৎসিত রোগীর মৃত্যুহার ২৫ - ৪০ শতাংস।” [৯]
স্প্যানিস ফ্লুতে হোমিওপ্যাথরা ব্যাপক সাফল্য পান। তারা তাদের ব্যাপক সংখ্যক রোগী চিকিৎসার ফলাফল একত্রিত করার প্রচেষ্টা চালান। স্প্যানিস ফ্লুর দ্বিতীয় পর্যায় (১৯১৮ সালের শরৎকাল) এবং তৃতীয় পর্যায়ে (১৯১৯ সালের শীতকালে) আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। সে সময় আমেরিকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ
তাদের দ্বারা চিকিৎসিত রোগীর পরিসংখ্যানগত ফলাফল প্রকাশের জন্য বিভিন্ন সমীক্ষা চালান। ফিলাডেলফিয়ার ‘হানেমান মেডিক্যাল কলেজের’ ডিন Dr. William Pearson, আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ হোমিওপ্যাথির (AIH), এর সদস্য চিকিৎসকদের মাঝে করা একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেন। ৮৮ জন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ২৬,৭৯৫ জন রোগীর চিকিৎসা করেছেন, তার মধ্যে ২৭৩ জন মারা গেছেন। মৃত্যুহার ছিল ১.০২%। এদের মাঝে ২৪ জন চিকিৎসক ৩.৫১৯ জন রোগী চিকিৎসা করেছেন এবং কেউ মারা যায় নি।
হোমিওপ্যাথদের এই অবদান প্রকাশ করার উদ্দেশ্য হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মৃত্যুহার কেমন ছিল সেটার নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন।... মূল প্রতিবেদনটি ফাইল আকারে সংরক্ষণ করা আছে যাতে আগ্রহী কেউ পরিদর্শন করলে দেখতে পারবে। আমি দুঃখিত যে বেশ বড় সংখ্যখ হোমিওপ্যাথরা তাদের চিকিৎসিত রোগীর ফলাফল জানাতে পারেন নি, কারণ চিকিৎসকগণ হল দুর্বল সংবাদদাতা। তবে এটা স্পষ্ট দে উপরের তথ্যগুলো সমস্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের চিকিৎসিত রোগীর ফলাফলের মোটামুটি প্রতিনিধিত্ব করে। প্রচলিত চিকিৎসায় মৃত্যুহার ছিল ৩০% (নিউমোনিয়ায় যারা আক্রান্ত হয়েছিল)। উভয় পদ্ধতির পরিসংখ্যান তুলনা করলে বুঝা যায় মহামারী ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগী চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কত ভাল। যেহেতু সারা দেশে রিপোর্ট করা মৃত্যুর হারে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সকদের দ্বারা মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে, তাই সরকারী রেকর্ডগুলির সাথে তুলনা হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সকদের সফলতার দিক আরো সুস্পষ্ট হয়ে উঠে। [১০]
-------
তথ্যসূত্র:
[১] https://www.cdc.gov/…/pandemic-reso…/1918-pandemic-h1n1.html
[২] https://www.wired.com/…/covid-19-is-nothing-like-the-spani…/
https://www.nytimes.com/…/opinion/coronavirus-1918-spanish-…
[৩] John Hutchinson. Prescrition factors. Discussion: Influenza: a favoable mortality and publicity. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-1920; 12: 807-813.
[৪] W. F. Edmunson. Discussion: Influenza: a favoable mortality and publicity. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-1920; 12: 598.
[৫]) Eli G. Jones. Some interesting facts. Homoeopathic Recorder 1919; 34: 11-15.
(৬) John C. Calhoun. A “flu” experience. Hahnemannian Monthly 1919; 54: 738-739.
(৭) Crawford R. Green. The treatment of Influenza in children. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-1920; 12: 1102-1112
[৮] Wade Hampton Frost. The epidemiology of influenza. Public Health Reports 1919; 34 (33): 1823-1836.
[9] Ralph R. Meelon. The influenza epidemic. New England Medical Gazette 1918; 53: 562-564.
[১০] William A. Pearson. Epidemic influenza treated by homeopahic physicians. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-1920; 12: 11-13.
[১১] Ernest F. Sappington. Discussion: Influenza: a favortable mortality and publicity. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-20; 12: 588.
[১২] H. A. Roberts. Discussion: Influenza: a favoable mortality and publicity. Journal of the American Institute of Homeopathy 1919-1920; 12: 591.
[১৩] Donald Macfarlan. Materia medica meeting. Homoeopathic Recorder 1920; 35; 262-265.
[১৪] W. A. Dewey. Homeopathy in influenza—A chorus of fity in harmony. Journal of the American Institute of Homeopathy 1920-21; 13: 1038-1043.
[১৫] L. A. Royal. Influenza and its results under homeopathic care in Central Iowa. Iowa Homeopathic Journal 1919-1920; 13: 194-198.
[credit to Dr. Andre Saine]

Thursday, March 19, 2020

করোনায় হোমিও -১

থেরাপিউটিকস -১
নতুন করোনা ভাইরাস সমাচার - ১
যখনই রোগটা কারো দেহে সংক্রমিত হয় তখনই তার দেহে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণ ফ্লুতে যেসব লক্ষণ যেমন সর্দি, কাশি, জ্বর, শরীর ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। উপসর্গ দেখা দিলেই তাদেরকে সম্ভাব্য COVID-19 এর রোগী মনে করা হয়। তাদেরকে তখন কোয়ারানটাইনে রাখা হয়, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়, আসলে সার্স করোনা ভাইরাস-২ তে আক্রান্ত কিনা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায়।
কিছু রোগী জটিলাকার ধারণ করে, তাদের নিউমোনিয়া দেখা দেয়। নিউমোনিয়াও মৃদু (mild), মধ্যম (moderate), মারত্মক ভাবে (severe) দেখা দিতে পারে। পরবর্তীতে তাদের অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় - তাদেরকে একিউট রেসপাইরেটরি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত রোগী বলা হয়।
রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে থাকে, ফলে রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দেয়। ইনফেকশনের কারনে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্লাড প্রেসার কমে যায়, হার্ট রেট বেড়ে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হতে থাকে, অনেক সময় রোগী সেপ্টিক শকে চলে যায়। এটা খুবই ভয়াবহ অবস্থা, অনেকসময় রোগী আর চিকিৎসার পর্যায়ে থাকে না। ইনটেন্সিভ কেয়ারে থাকার পরও বিরাট সংখ্যক রোগী মারা যায়।
রোগীর প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে অর্থাৎ তার লক্ষণ মৃদুভাবে থাকলে হাসপাতালে নেয়ার দরকার হয় না। সেসব রোগীকে আলো-বাতাসপূর্ণ একটা কক্ষে রাখতে হবে, এবং সে রুমে সেবাকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া কেউ প্রবেশ করবে না। রোগী হাঁচি কাশি দেয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক পড়ে থাকবে। যে সেবা করবে তাকেও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। রোগীর যদি শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় তবে তাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া যাবে না, তাদেরকে তখন হাসপাতালে নিতে হবে।
সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে তারা এ রোগ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।
- সর্দিকাশিতে আক্রান্ত যেকোন মানুষ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কারন আপনি জানেন না সে নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কি না। সর্দিকাশিতে আক্রান্ত রোগীকে কম্পক্ষে ১৪ দিন পর্যবেক্ষনে রাখতে হবে।
- সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ার অভ্যাস করতে হবে, অথবা এলকোহলযুক্ত হ্যান্ড রাব দিয়ে হাত মাখতে হবে।
- নাক, মুখ বা চোখে হাত দেয়া যাবে না। অবশ্যই হাত দেয়ার আগে হাত যথাযথ পরিস্কার করতে হবে।
রোগ সংক্রমণ রোধ করতে তিনটি বিষয় অবশ্যই করতে হবে -
- রোগীকে আইসোলেট করা,
- সন্দেহযুক্ত রোগীকে কোয়েরেন্টাইনে রাখা।
- এবং সুস্থ মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়িয়ে তাদেরকে অসুস্থ মানুষের সংস্পর্শ থেকে বাঁচিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা।
---------
ভাইরাসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রনে অতীতে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কার্যকারি ভূমিকা রেখেছে। ইতিহাসের পাতায় তার নজির বহু। দৈনন্দিন চিকিৎসা জীবনেও বহু ভাইরাসজনিত রোগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় দ্রুত আরোগ্য হতে দেখি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো সরকারী নীতি নির্ধারক মহলে আমাদের এই বার্তা আমরা পৌঁছাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছি। তারপরও ভাল কিছুর করার স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রচেষ্টা চালাই।
করোনা বিষয়ক হোমিওপ্যাথিক পরামর্শ জানতে আমাকে নক করতে পারেন।
Mohammad Mohshinuzzaman BHMS, (1st place)
01712079617